Latest Post
Showing posts with label Important News. Show all posts
Showing posts with label Important News. Show all posts
Important News
স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্টের পাঁচ বছর পর এইডস থেকে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন ‘বার্লিন পেশেন্ট’ নামে পরিচিত মার্কিন নাগরিক টিমোথি রে ব্রাউন। বুধবার ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি ইন সেইন্ট লুইস-এ জিন থেরাপি বিষয়ক এক সিম্পোজিয়ামে এইচআইভি থেকে আরোগ্য লাভের কথা জানান ব্রাউন এবং তার জার্মান চিকিৎসক ড. গেরো হাটার। খবর ওয়াশিংটন পোস্ট-এর।
স্টেম সেলের কাছে পরাস্ত হলো এইডস
স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্টের পাঁচ বছর পর এইডস থেকে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন ‘বার্লিন পেশেন্ট’ নামে পরিচিত মার্কিন নাগরিক টিমোথি রে ব্রাউন। বুধবার ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি ইন সেইন্ট লুইস-এ জিন থেরাপি বিষয়ক এক সিম্পোজিয়ামে এইচআইভি থেকে আরোগ্য লাভের কথা জানান ব্রাউন এবং তার জার্মান চিকিৎসক ড. গেরো হাটার। খবর ওয়াশিংটন পোস্ট-এর।
Labels:
Important News
Important News,
Love Zone
আমার একটি খুব প্রিয় গান আছে গিয়াউদ্দিন সাহেবের লেখা ‘মরণসঙ্গীত’ ‘মরিলে কান্দিস না আমার দায়’। প্রায়ই ভাবি আমি মারা গেছি। শবদেহ বিছানায় পড়ে আছে, একজন কেউ গভীর আবেগে গাইছে ‘মরিলে কান্দিস না আমার দায়।’ ‘নক্ষত্রের রাত’ নামের ধারাবাহিক নাটকের শুটিং ফ্লোরে আমি আমার ইচ্ছা প্রকাশ করলাম। এবং একজনকে দায়িত্ব দিলাম গানটি বিশেষ সময়ে গাইতে। সে রাজি হলো। উৎসর্গপত্রের মাধ্যমে তাকে ঘটনাটি মনে করিয়ে দিচ্ছি। আমার ধারণা সময় এসে গেছে।
Humaion Ahmed Lasted Unpublished Letter
আমার একটি খুব প্রিয় গান আছে গিয়াউদ্দিন সাহেবের লেখা ‘মরণসঙ্গীত’ ‘মরিলে কান্দিস না আমার দায়’। প্রায়ই ভাবি আমি মারা গেছি। শবদেহ বিছানায় পড়ে আছে, একজন কেউ গভীর আবেগে গাইছে ‘মরিলে কান্দিস না আমার দায়।’ ‘নক্ষত্রের রাত’ নামের ধারাবাহিক নাটকের শুটিং ফ্লোরে আমি আমার ইচ্ছা প্রকাশ করলাম। এবং একজনকে দায়িত্ব দিলাম গানটি বিশেষ সময়ে গাইতে। সে রাজি হলো। উৎসর্গপত্রের মাধ্যমে তাকে ঘটনাটি মনে করিয়ে দিচ্ছি। আমার ধারণা সময় এসে গেছে।
Labels:
Important News,
Love Zone
Entertainments,
Important News
******পর্নোগ্রাফি -আইনের বিধান ও প্রয়োগ*******
বর্তমানে বিভিন্ন মোবাইল ও কম্পিউটার সার্ভিসিং এর দোকানগুলোতে সার্ভিসিং এর নামে অশ্লীল নাচ, গান, চলচ্চিত্র কিংবা ভিডিও ক্লিপ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে অহরহ সরবরাহ ও বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে উঠতি বয়সের তরুণেরা এর গ্রাহকে সহজে পরিণত হচ্ছে।
দোকানগুলো ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০/১০০ টাকা পর্যন্ত এসব বিক্রি করছে।
দোকানগুলো ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০/১০০ টাকা পর্যন্ত এসব বিক্রি করছে।
Labels:
Entertainments,
Important News
Important News,
Technology
গুগলের চালকহীন সুনিয়ন্ত্রিত গাড়ি
যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তায় এবার চলবে গুগলের চালকহীন সুনিয়ন্ত্রিত গাড়ি। সরকারি অনুমতি জুটেছে আগেই। অপেক্ষা ছিল চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার। এবারে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর জেরি ব্রাউনও দিলেন পথে চলার অনুমতি। সংবাদমাদ্যম সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
এ হিসেবে আগামী ২০১৫ সালের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সড়কে গুগল নিয়ন্ত্রিত চালকহীন গাড়ি চোখে পড়বে। এতে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে বলে প্রকল্প বিশেষজ্ঞেরা অভিমত দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, এ মুহূর্তে বছরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর গড়ে ৪০ হাজার লোক সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যাচ্ছেন। এ অনাকাক্সিক্ষত মৃত্যু কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। আর এমন অবস্থা চলতেও দেওয়া যায় না।
মাউনটেন ভিউয়ে অবস্থিত গুগলের প্রধান অফিসে গিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর জেরি ব্রাউন এ প্রকল্প বাস্তবায়নে অনুমতিপত্রে সই করেছেন। গুগল এ ধরনের অটোনোমাস গাড়ির জন্য অনেকটা দীর্ঘ সময় ধরেই প্রস্তুতি নিয়েছে। আর তাতে কারিগরি সম্মতিও মিলেছে। এখন অপেক্ষা এ পদ্ধতিতে আরো সুক্ষ্ম আর নিখুঁত করে তোলার গবেষণা চালিয়ে যাওয়া।
গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সার্গেই ব্রিন বলেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যেই এ প্রযুক্তিকে মানুষ সাধারণভাবে গ্রহণ করবে। মানুষ নিয়ন্ত্রিত গাড়ির তুলনায় এ প্রযুক্তি অনেক বেশি সড়কবান্ধব এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রক। এটা বুঝতে এবং সুফল উপলব্ধি করতে মানুষের কিছুটা সময় লাগবে। এ জন্য তাড়াহুড়ো না করে ধীরেই এগোবে গুগল। বিশ্বাস অর্জন করেই এ প্রযুক্তির বাণিজ্যিক প্রচারণা নিশ্চিত করা হবে। জীবনের অত্যাধুকিতার ছোঁয়া লাগতে আর খুব বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।
গুগল এখন চালকহীন ড্রাইভার তৈরিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর তাতে সরকারি ছাড়পত্রও পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা শহরের রাস্তায় এখন তাই মাঝেমধ্যে গুগল নিয়ন্ত্রিত চালকহীন গাড়ি চলতে দেখা যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব মটোর ভেহিক্যাল (ডিএমভি) সূত্র জানিয়েছে, অনেক দিন গুগল চালকহীন গাড়ি পরিচালনায় পরীক্ষা চালিয়ে আসছিল। এবারে এ পরীক্ষার সফলতায় দেওয়া হলো আইনি ছাড়পত্র। এ ধরনের ছাড়পত্রকে ‘অটোনোমাস ভেহিক্যাল লাইসেন্স’ বলা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে ১ মে থেকে এ ধরনের পরীক্ষার সরকারি অনুমতি পাওয়া যায়। তবে নেভিগেশন ঘরানার এ প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য এর কার্যকারিতা সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার প্রয়োজনীতা আছে।
এরই মধ্যে টয়োটা ‘প্রিয়ুস’ সিরিজের গাড়িতে এ প্রযুক্তির সফল ব্যবহার দেখা গেছে। স্টানফোর্ড অধ্যক্ষ এবং গুগলের সহ-সভাপতি সেবাস্টিয়ান ট্রুন জানান, গুগলে সেলফ ড্রাইভেন গাড়ি পরিচালনায় ক্যামেরা, রাডার সেন্সর, লেজার এবং তথ্যভিত্তিক ডাটার সমন্বয়ে এ গাড়ি সড়কে নির্ভুলভাবে চলবে।
সুদীর্ঘ পরীক্ষার কয়েকটি ধাপে এ প্রযুক্তি সফলতা অর্জন করেছে। আর এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ছাড়পত্র দিতেও আর কোনো আপত্তি নেই। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র সরকার গুগল নিয়ন্ত্রিত চালকহীন প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিক ব্যবহারের ছাড়পত্র দিয়েছে। আর এ বিশেষ প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রিত গাড়ি তৈরিতে গুগলকে অটোমোবাইল খাতে সহযোগিতা করবে বিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা টয়োটা।
এ হিসেবে আগামী ২০১৫ সালের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সড়কে গুগল নিয়ন্ত্রিত চালকহীন গাড়ি চোখে পড়বে। এতে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে বলে প্রকল্প বিশেষজ্ঞেরা অভিমত দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, এ মুহূর্তে বছরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর গড়ে ৪০ হাজার লোক সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যাচ্ছেন। এ অনাকাক্সিক্ষত মৃত্যু কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। আর এমন অবস্থা চলতেও দেওয়া যায় না।
মাউনটেন ভিউয়ে অবস্থিত গুগলের প্রধান অফিসে গিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর জেরি ব্রাউন এ প্রকল্প বাস্তবায়নে অনুমতিপত্রে সই করেছেন। গুগল এ ধরনের অটোনোমাস গাড়ির জন্য অনেকটা দীর্ঘ সময় ধরেই প্রস্তুতি নিয়েছে। আর তাতে কারিগরি সম্মতিও মিলেছে। এখন অপেক্ষা এ পদ্ধতিতে আরো সুক্ষ্ম আর নিখুঁত করে তোলার গবেষণা চালিয়ে যাওয়া।
গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সার্গেই ব্রিন বলেন, আগামী ৫ বছরের মধ্যেই এ প্রযুক্তিকে মানুষ সাধারণভাবে গ্রহণ করবে। মানুষ নিয়ন্ত্রিত গাড়ির তুলনায় এ প্রযুক্তি অনেক বেশি সড়কবান্ধব এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রক। এটা বুঝতে এবং সুফল উপলব্ধি করতে মানুষের কিছুটা সময় লাগবে। এ জন্য তাড়াহুড়ো না করে ধীরেই এগোবে গুগল। বিশ্বাস অর্জন করেই এ প্রযুক্তির বাণিজ্যিক প্রচারণা নিশ্চিত করা হবে। জীবনের অত্যাধুকিতার ছোঁয়া লাগতে আর খুব বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।
গুগল এখন চালকহীন ড্রাইভার তৈরিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর তাতে সরকারি ছাড়পত্রও পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা শহরের রাস্তায় এখন তাই মাঝেমধ্যে গুগল নিয়ন্ত্রিত চালকহীন গাড়ি চলতে দেখা যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব মটোর ভেহিক্যাল (ডিএমভি) সূত্র জানিয়েছে, অনেক দিন গুগল চালকহীন গাড়ি পরিচালনায় পরীক্ষা চালিয়ে আসছিল। এবারে এ পরীক্ষার সফলতায় দেওয়া হলো আইনি ছাড়পত্র। এ ধরনের ছাড়পত্রকে ‘অটোনোমাস ভেহিক্যাল লাইসেন্স’ বলা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে ১ মে থেকে এ ধরনের পরীক্ষার সরকারি অনুমতি পাওয়া যায়। তবে নেভিগেশন ঘরানার এ প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য এর কার্যকারিতা সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার প্রয়োজনীতা আছে।
এরই মধ্যে টয়োটা ‘প্রিয়ুস’ সিরিজের গাড়িতে এ প্রযুক্তির সফল ব্যবহার দেখা গেছে। স্টানফোর্ড অধ্যক্ষ এবং গুগলের সহ-সভাপতি সেবাস্টিয়ান ট্রুন জানান, গুগলে সেলফ ড্রাইভেন গাড়ি পরিচালনায় ক্যামেরা, রাডার সেন্সর, লেজার এবং তথ্যভিত্তিক ডাটার সমন্বয়ে এ গাড়ি সড়কে নির্ভুলভাবে চলবে।
সুদীর্ঘ পরীক্ষার কয়েকটি ধাপে এ প্রযুক্তি সফলতা অর্জন করেছে। আর এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ছাড়পত্র দিতেও আর কোনো আপত্তি নেই। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র সরকার গুগল নিয়ন্ত্রিত চালকহীন প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিক ব্যবহারের ছাড়পত্র দিয়েছে। আর এ বিশেষ প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রিত গাড়ি তৈরিতে গুগলকে অটোমোবাইল খাতে সহযোগিতা করবে বিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা টয়োটা।
Labels:
Important News,
Technology
Important News
‘ইনোসেন্স অব মুসলিম’ নিষিদ্ধ
অনেকটাই হঠাৎ করেই বিতর্কে জড়িয়েছে সামাজিক ভিডিও সাইট ইউটিউব। গুগলের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এখন ইউটিউব। তাই দায় গুগলের ঘাড়েও চাপে। এবার তাই ব্রাজিলের আদালতে আইনি মামলায় হেরে ইউটিউব ভিডিও বন্ধের নিষেধাজ্ঞা পেল গুগল। সংবাদমাধ্যম সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
এরই মধ্যে নির্বাচনী বিরোধী উদ্দেশ্যপূর্ণ ভিডিওচিত্র আপলোড করায় ব্রাজিলের এক মেয়র গুগলের শীর্ষ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়। ফলে এ বিতর্কে নতুন মোড় আসে।
ব্রাজিলের গুগল পরিচালক ফেবিও কোয়েলহো জানান, ব্রাজিলে বিতর্কিত ভিডিও বন্ধের নির্দেশ দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। এমনিতেই ‘ইনোসেন্স অব মুসলিমস’ ভিডিওচিত্রের কারণ পুরো মুসলিম বিশ্বই উত্তাল। সেখানে অনুষ্ঠেয় ব্রাজিলের নির্বাচনের আগে বিধি লঙ্ঘন করে এমন ভিডিও প্রচার করে ইউটিউব নিজেকে আরো বিতর্কে জড়িয়েছে।
এ কারণে ‘ইনোসেন্স অব মুসলিম’ খ্যাত বহুল আলোচিত ভিডিওচিত্র ছাড়াও ব্রাজিলের অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে অনৈতিক প্রভাব পড়ে এমন সব ফুটেজ ইউটিউব থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে ব্রাজিলের আদালত।
গুগলের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইউটিউবে বহুল আলোচিত ১৩ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের ওই মুসলিম বিতর্কিত ভিডিওচিত্রও মুছে ফেলার আইনি নোটিশ পেয়েছে গুগল। আগামী ৪ অক্টোবরের মধ্যে এসব ভিডিও ফুটেজ মুছে ফেলা না হলে দিনপ্রতি ৪ হাজার ৯৫০ ডলার করে জরিমানা গুণতে হবে গুগলকে।
আগামী ৭ অক্টোবর ব্রাজিলের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে ব্রাজিলের মোট ৫ হাজার ছোট-বড় শহরে এ নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তাই এ সময়ে কোনো ধরনের বিতর্কিত অরাজনৈতিক প্রচারণাকে ছাড় দেবে না ব্রাজিল সরকার।
এ মুহূর্তে ব্রাজিলে ১ কোটি ২০ লাখ মুসলমান বসবাস করছে। তাই অমুসলিম ঘরানার কোনো ধরনের উসকানিকে এবং সহিংসতার সম্ভাবনাকে এড়িয়ে যাওয়ার অবকাশ নেই। এ কারণেই গুগল এবং ইউটিউবের ওপর ব্রাজিলের আদালত এমন কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
এরই মধ্যে নির্বাচনী বিরোধী উদ্দেশ্যপূর্ণ ভিডিওচিত্র আপলোড করায় ব্রাজিলের এক মেয়র গুগলের শীর্ষ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়। ফলে এ বিতর্কে নতুন মোড় আসে।
ব্রাজিলের গুগল পরিচালক ফেবিও কোয়েলহো জানান, ব্রাজিলে বিতর্কিত ভিডিও বন্ধের নির্দেশ দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। এমনিতেই ‘ইনোসেন্স অব মুসলিমস’ ভিডিওচিত্রের কারণ পুরো মুসলিম বিশ্বই উত্তাল। সেখানে অনুষ্ঠেয় ব্রাজিলের নির্বাচনের আগে বিধি লঙ্ঘন করে এমন ভিডিও প্রচার করে ইউটিউব নিজেকে আরো বিতর্কে জড়িয়েছে।
এ কারণে ‘ইনোসেন্স অব মুসলিম’ খ্যাত বহুল আলোচিত ভিডিওচিত্র ছাড়াও ব্রাজিলের অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে অনৈতিক প্রভাব পড়ে এমন সব ফুটেজ ইউটিউব থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে ব্রাজিলের আদালত।
গুগলের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইউটিউবে বহুল আলোচিত ১৩ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের ওই মুসলিম বিতর্কিত ভিডিওচিত্রও মুছে ফেলার আইনি নোটিশ পেয়েছে গুগল। আগামী ৪ অক্টোবরের মধ্যে এসব ভিডিও ফুটেজ মুছে ফেলা না হলে দিনপ্রতি ৪ হাজার ৯৫০ ডলার করে জরিমানা গুণতে হবে গুগলকে।
আগামী ৭ অক্টোবর ব্রাজিলের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে ব্রাজিলের মোট ৫ হাজার ছোট-বড় শহরে এ নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তাই এ সময়ে কোনো ধরনের বিতর্কিত অরাজনৈতিক প্রচারণাকে ছাড় দেবে না ব্রাজিল সরকার।
এ মুহূর্তে ব্রাজিলে ১ কোটি ২০ লাখ মুসলমান বসবাস করছে। তাই অমুসলিম ঘরানার কোনো ধরনের উসকানিকে এবং সহিংসতার সম্ভাবনাকে এড়িয়ে যাওয়ার অবকাশ নেই। এ কারণেই গুগল এবং ইউটিউবের ওপর ব্রাজিলের আদালত এমন কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
Labels:
Important News









